অনলাইন থেকে ইনকাম করার ৪টা সহজ টিপস যা নতুনদের জানা দরকার

টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স

বন্দুরা আজকে আমরা এমন ৪টা টিপস আপনাদের সাথে শিয়ার করব যা আপনারা ১০০% সফল হবেন। স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই টাকা ইনকাম করার অভ্যাস থাকাটা খুব প্রয়োজন। এটা মেটার করে না যে তুমি কত টাকা ইনকাম করছো, এটা ম্যাটার করে সেই টাকা টা ইনকাম করতে গিয়ে তুমি কতটা স্মার্ট কতটা ইন্টেলিজেন্ট একজন মানুষ তৈরি হচ্ছে। যে সময় দাঁড়িয়ে আপনাদের বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরা অনলাইনে গেম খেলে সময় নষ্ট করছে, সেই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে আপনারা যদি কয়টা টাকা আর্ন করতে পারো, তাহলে আপনারা হয়তো নিজের শখ পূরণের সমস্ত কিছুই করতে পারবে। বাবার দেওয়া পকেট মানি বা মায়ের দেওয়া পকেট মানিতে জীবনের একটা সময় তো চলে যায়।

কিন্তু তারপর একটা জীবনের ফেজ আসে যে সময়টায় আশেপাশের বন্ধুরা চাকরি পেয়ে যায়, কেউ নিজের ব্যবসা দাঁড় করিয়ে নেয়। তখন কিছু মানুষ থাকে বেকার থাকে তাদের ইনকাম থাকে না, তারা এদিকে ওদিকে একটা চাকরির খোঁজে বা একটা ব্যবসা করার জন্য দৌড়াদৌড়ি ছুটাছুটি করে বেড়ায়। কিন্তু টাকা ইনকাম করার অভ্যেসটা কিন্তু একটা প্র্যাকটিস, কবে আপনারা গ্রাজুয়েট হবে, কবে তুমি একটা চাকরি পাবে তারপর টাকা কামাবে এত যদি অপেক্ষা করো তাহলে জীবনের টাকা ইনকাম করতে অনেক দেরী হয়ে যাবে।

তাই অভ্যেসটা আজ থেকে এখন থেকেই শুরু করো। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বেশ কিছু উপায় বলব, যে উপায়গুলো মেইনটেইন করে আপনারা আপনাদের লাইফে বেশ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

  • কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করবেন?
  • ফেসবুক থেকে কীভাবে টাকা ইনকাম করবেন?
  • ফ্রিল্যান্সিং কী
  • নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করবেন?

প্রথম টিপসঃ সবথেকে সহজ একটা ইনকাম করার জায়গা বলছি? সেটা হচ্ছে ইউটিউব, ইউটিউবে আপনারা যদি ঠিকঠাক একটা জায়গায় পৌঁছে যান, তাহলে এক লক্ষ টাকা ইনকাম করা কোনো বেপার না এবং আপনাদের ইউটিউবে কোনো ইনভেস্ট করতে হয় না। আপনাদের পছন্দের যত বড় বড় ইউটিউবারছরা রয়েছে সোশ্যাল ব্লেড জাতীয় বেশ কিছু সাইট রয়েছে যেখানে গিয়ে আপনারা সার্চ করে দেখতে পারো তারা কত টাকা ইনকাম করে। ইউটিউবে আপনারা আপনাদের কোনো অবিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন, ইউটিউবে আপনারা ব্লগ ভিড়িও বানাতে পারেন।

আপনাদের যে কোন অবিজ্ঞতা যেটা আপানাদের মধ্যে রয়েছে সেটা আপনারা ইউটিউবের মাধ্যমে শেয়ার করেন এবং আপনাদের অবিজ্ঞতা আপনারা অপলোড করতে থাকেন একটার পর একটা ভিডিও। যখন আপনাদের চ্যানেল একটু রিচ পাবে এবং একটু মানুষজনের কাছে ছড়াতে শুরু করবে তখন আপনাদের যদি ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০ সাবস্ক্রাইবার কমপ্লিট হয়ে যায়, তাহলে ইউটিউব নিজে থেকে আপনাদেরকে টাকা দিবে।

তার জন্য আপনাদের থেকে কোনো খাটনি করতে হবেনা, শুধু আপনাদের মনের মতন ভিডিও আপনারা বানাতে থাকেন। এটাই হচ্ছে সব থেকে সহজ উপায়। আপনাদের যদি কোনো অবিজ্ঞতা থাকে আপনারা যদি কোনো বিষয় ভালো হন সেটা নিয়ে একটি ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ফেলুন এবং ট্রাই করে দেখেন, যদি কিছু হয়ে যায়। টাকা ইনকাম করলেতো হবে না টাকা ইনভেস্ট করতে জানতে হবে এবং টাকা ইনভেস্ট করা মানে টাকা দিয়ে টাকাকে বাড়ানো।

ফেসবুক থেকে কীভাবে টাকা ইনকাম করবেন?

দ্বিত্বয় টিপসঃ প্রত্যেকদিন ফেসবুকে গুরা গুরি করেন কিন্তু জানেন না ফেসবুক থেকেও টাকা ইনকাম করা যায়। ফেসবুকে দুইটি জায়গা রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে। ফেসবুকে আপনারা যদি একটা পেইজ বানান এবং যদি আপনাদের অবিজ্ঞতা সেটা যদি একটু পপুলার হয়ে যায় এই যেমন ধরেন আমরা ভূতের ঘটনা শুনি সেগুলো থেকে একটা অবিজ্ঞতাতো আমাদের স্টোরিটেলিং একটা অবিজ্ঞতা এটা আপনারা ফেসবুকে আপলোড করেন।

ফেসবুকও সেম ইউটিউবের মতই টাকা কামানো যায়। ভিডিওর মধ্যে অ্যাড চলে এবং সেই অ্যাড থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। তো আপনাদের কোনো অবিজ্ঞতা ইউটিউব আর ফেসবুক একি ভিডিও দুটো জায়গায় আপলোড করে দেন। তাহলে সেখান থেকে আপনারা খুব সহজে টাকা ইনকাম করে নিতে পারছেন। এর থেকে সহজ উপায় আর কী হতে পারে। ইনস্টাগ্রাম পেজ ফেইসবুক ইউটিউব এ সমস্ত জায়গায় একটা সবথেকে বড় সুবিধা হলো যদি আপনাদের চ্যানেল একটু দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে বড় বড় ব্র্যান্ড যারা রয়েছে তারা আপনাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করবে।

তাদেরকে প্রমোট করতে বলবে আপনাদের ভিডিওর মাধ্যমে বা ফেসবুকে ভিডিওর মাধ্যমে। সেখান থেকে কিন্তু মোটা টাকা আপনারা ইনকাম করতে পারবেন এবং এগুলো আপনারা স্টুডেন্ট লাইফে করতে পারবেন। কোনো ইন্টারভিউ দিতে হবে না, কোন চাকরি করতে যেতে হবে না, কিছু প্রয়োজন নেই ঘরে বসেন ক্যামেরা সেট করেন ভিডিও বানান আর আপনারা টাকা ইনকাম করুন ইউটিউব থেকে।

ফ্রিল্যান্সিং কী

তৃীত্বয় টিপসঃ আর সেটি হলো ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং এ কিন্তু বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। ফ্রিল্যান্সিং কী আপনারা যদি কোন স্কিলে ভালো হন। টাকা ইনকাম করার জন্য তোমাকে কিছু দিতে হবে সেটা আপনাদের স্কিল হতে পারে। সেটা আপনাদের কোন সার্ভিস হতে পারে, সেটা আপনাদের কোনো প্রোডাক্ট হতে পারে।

আপনাদেরকে তো এমনি এমনি টাকা দেবে না। এই যে আপনারা যে চাকরি করতে যাবেন বলে ভাবছেন সেই চাকরিতেও তারা আপনাদের এত বছরের এডুকেশন যত টাকা খরচ করে আপনারা পড়াশোনা করেছেন এত বছরের আপনাদের স্কিল সেই সমস্ত কিছুর বিনিময়ে আপনাদেরকে টাকা দিচ্ছে। আপনাদেরকে কাজ করতে ৪ থেকে ১০ ঘন্টা। তো আপনাদের যদি কোনো স্কিল থাকে। আপনারা ধরেন খুব ভালো ছবি আঁকতে পারেন বা আপনারা খুব ভালো ভিডিও এডিট করতে পারেন বা আপনারা লিখতে পারেন। বিভিন্ন সাইট রয়েছে আপনারা সার্চ করে ইউটিউবে দেখে নিয়েন ফ্রীলান্সিং সাইট।

সেই ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে গিয়ে আপনারা নিজেকে ইনরুল করাতে পারেন এবং সেখানে প্রচুর মানুষ না এরকম আপনাদের মত ফ্রিল্যান্সারদেরকে খুজে। তাদের একটা কাজ আছে সেটা তারা কাউকে দিয়ে করাবে। তো আপনারা নিজে যেটা পারদর্শী সেটা নিয়ে একটা পোর্টফোলিও বানান এবং সেখান থেকে তোমাদের একটার পর একটা কাজ ডুকতে থাকবে এবং সেখান থেকে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। ঘরে বসে ব্লগিং করতে পারেন, লেখালেখি করে আপনারা টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কী

চতূরত টিপসঃ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এমন একটা এটাকে বলা হয় ডিরেক্ট সেলিং বিজনেস। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হলোঃ ধরেন আমরা একটা প্রোডাক্ট বিক্রি করছি আমরা আপনাদেরকে বললাম যে আপনারা এই প্রোডাক্টটা নাও এবং এই প্রোডাক্টটা আরও দু’জনকে বিক্রি করো এবং আপনারা আরো দু’জনকে বিক্রি করলেন এবং আপনাদের আন্ডারে আপনারা আরো দু’জনকে মানুষ নিয়ে নিবেন।

তারা দুজন অবশ্যয় প্রোডাক্ট বিক্রি করবে। তো আপনারা ইউটিউবে সার্চ করে দেখতে পারেন যে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ কোন কোন কোম্পানি সব চেয়ে উপরে রয়েছে এই মুহূর্তে। দেখতে পারেন, দেখতে খতি কী, জানতে দেখতে তো অসুবিধা নেই। আমাদের কাজের পয়েন্টগুলো বলে দিলাম। এবার আপনাদের যেটা ভালো মনে হবে আপনারা সেটাই করো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *